July 14, 2026, 11:06 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
মিনিকেট মিথ/প্রতারণার পালিশে হারিয়ে যাচ্ছে পুষ্টি কুষ্টিয়ায় সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ, অপসারণের নির্দেশ এলজিইডির নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করায় কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারিকে অব্যাহতি বৃষ্টি বা একটু রোদ হলেই দ্বিগুণ, রিকশা ভাড়ায় সীমাহিন নৈরাজ্য, জিম্মি নগরবাসী ইবিতে একটি বিশেষ ধর্মীয় বাধ্যতামূলক কোর্স নিয়ে বিতর্ক: ঐচ্ছিক করার দাবিতে সনাতনী শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন অতিরিক্ত সময়ের জোড়া গোলে সুইজারল্যান্ডকে বিদায়, সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা কুষ্টিয়া শহরের ছাত্রীনিবাসের দিনরাত্রি/ চার দেয়ালের ভেতর স্বপ্নের লড়াই প্রত্যন্ত মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা পৌঁছে দিতে ‘স্বাস্থ্যসেরা বাস’ হস্তান্তর সব স্কুল-কলেজে আইপি সিসিটিভি / ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে তথ্য দিতে মাউশির জরুরি নির্দেশ, না দিলে ব্যবস্থা বিদেশি বিনিয়োগের পতন/ অর্থনীতির জন্য শুধু পরিসংখ্যান নয়, একটি সতর্কসংকেত

দুদকের ফাঁদে আটক সেই স্বীকৃত দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলীর কারাদন্ড

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
দুদকের ফাঁদে আটক সেই স্বীকৃত দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলীর কারাদন্ড মাহমুদ আলমকে (৫৩) কারাদন্ড দিয়েছে কুষ্টিয়ার বিশেষ জজ আদালত।
মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) দুপুরের দিকে কুষ্টিয়ার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম এ রায় দেন।
দুর্নীতির মাধ্যমে ঘুষ আদায় করার অপরাধে তাকে তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়।
একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত মাহমুদ আলম কুষ্টিয়া ছয় রাস্তার মোড় থানাপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল বারীর ছেলে। তিনি চুয়াডাঙ্গার স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট আল মুজাহিদ হোসেন মিঠু।
তিনি বলেন, মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় আসামি প্রকৌশলী মাহমুদ আলমকে তিন বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন বিচারক। পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম সাজার আদেশ দেন বিচারক। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, যশোর ডিভিশনের আওতায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালের সংস্কারকাজ করার জন্য মেসার্স এমএম কামাল এন্টারপ্রাইজসহ ১০টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ পায়। তাদের একজন ঠিকাদার খাইরুল ইসলাম ১১টি প্যাকেজের কনস্ট্রাকশন কাজের ৪৩ লাখ ১৫ হাজার ৮৫০ টাকার কাজ সম্পন্ন করেন। প্রকৌশলী মাহমুদ আলম ৬টি পারফরম্যান্স সিকিউরিটি মানি ফেরতের জন্য দরখাস্ত করার সময় খাইরুল ইসলামের কাছে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিলে ৬টি পারফরম্যান্স সিকিউরিটি মানি ফেরতের প্রতিশ্রুতি দেন।
এ নিয়ে ২০১৫ সালের ৭ জুলাই ঠিকাদার খাইরুল ইসলাম দুদক সমন্বিত কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয় বরাবর সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদ আলমের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। পরে দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক মো. আব্দুল গাফফার তাকে ধরতে ফাঁদ পাতেন। তিনি ঠিকাদার খাইরুল ইসলামকে দিয়ে সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদ আলমকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ান। পূর্বপ্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রকৌশলী টাকা গ্রহণের সময় তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় হস্তান্তর করেন। তখন তার বিরুদ্ধে দুদক মামলা করে থানায়।
মামলাটি দীর্ঘ সময় তদন্তের পর আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এরপর আদালত এ মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে ১২ এপ্রিল রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আজ মঙ্গলবার আদালত এ রায় দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net